খেজুরের রস খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
খেজুরের রস শরীরকে শক্তি যোগায় ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যা এক একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়তে পরিণত করেছে, এনার্জি ড্রিংস হিসেবে কাজ করে কারণ এতে গ্লুকোজ থাকে যা শরীরের দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে তবে নিপা ভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে কাঁচা খেজুরের রস না খেয়ে ভালো করে ফুটিয়ে তারপর পান করা উচিত। খেজুরের রসে আয়রন পটাশিয়াম এবং প্রাকৃতিক শরকরা সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর পানীয় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শারীরিক দুর্বল দূর করতে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে কষ্টকাঠিন্য ঠান্ডা জনিত সমস্যা থেকেও খেজুরের রস উপকারী, খেজুরের রস দ্রুত সেবন করা উচিত ।
পেজ সূচিপত্রঃ খেজুরের রসের উপকারিতা
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধী
- শারীরিক দুর্বলতা দূর করে
- হিমোগ্লোবি তৈরিতে সহায়ক
- কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
- কখন সেবন করবেন
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাঃএতে থাকা বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
শারীরিক দুর্বলতার দূর করেঃ এটি একটি প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক হিসেবে
কাজ করে এবং শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সহায়কঃ সকালবেলা টাটকা রস পান করা সবচাইতে ভালো দিনের আলোর দ্রুত ফার্মেশন বা গাজন প্রতিক্রিয়া কারণে এর শাদ ও গুণাগুণ পরিবর্তিত হতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর কারণঃযাদের কষ্ট কাশিনের সমস্যা আছে তাদের জন্য উপকারী
হতে পারে।
শীতকালীন রোগ প্রতিরোধঃ শীতকালে ঠান্ডা লাগা বা এই জাতীয় সমস্যা
প্রতিরোধে সাহায্য করে।
বাঁশি বা গাজরহারস পান করা উচিত নয়, কারণ এতে নিপাহ ভাইরাসের মতো ব্যাকটেরিয়া
থাকতে পারে যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতি করে এবং জর , কাশি ,বমি ,
ডায়রিয়া বা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। কৃষি তথ্য সার্ভিস এর মতে
বাংলাদেশের সাধারণত কার্তিক থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত অক্টোবর থেকে মাছ পর্যন্ত
খেজুরের রস সংগ্রহ করা দেশের সবচাইতে বেশি রস সংগ্রহ হয়।
কখনোই কাঁচা খেজুরের রস পান করবেন না ,রশ সম্ভবত দশ মিনিট ফুটিয়ে বা জাল
দিয়ে পান করুন কারণ এতে ভাইরাস মরে যাবে, রস থেকে তৈরি গুঁড়ো নিরাপদ কারণ
গুড় তৈরি প্রক্রিয়া ভাইরাস নষ্ট হয়ে যায় ।যাদের ডায়াবেটিক্স বা কিডনি
জটিলতা রয়েছে তাদের খেজুরের রস এরিয়ে চলা উচিত কারণ এতে প্রচুর চিনি থাকে
।অনেকক্ষণ ধরে রেখে দেওয়া বাসি রস পান করা উচিত নয় কারণ এতে অ্যালকোহল তৈরি
হতে পারে। অপরদিকে এতে থাকা ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বাড়াতে সাহায্য করে ,আয়রনের ভালো উৎস হয় এটি হয় হিমোগ্লোবিন তৈরি সাহায্য
করে যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের জন্য উপকারী হতে পারে, শীতকালে
ঠান্ডা লাগা বা এই জড়িত সমস্যা প্রতিদিন সাহায্য করে কাঁচা খেজুরের বাদুড়ের
লালা ছড়াতে মারাত্মক রোগ হতে পারে।
খেজুরের রস পান করে অনেক স্বাস্থ্যকরী রয়েছে যেমন এটি শক্তিযোগা এবং রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় তবে কাঁচা রস পান করা ঝুঁকিপূর্ণ কারণ এতে নিপা ও
ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে ফুটিয়ে বা জ্বাল দিয়ে তৈরি রস বা গুর
নিরাপদ এবং এতে এন্টিঅক্সাইড আইরন এবং পটাশিয়াম এর মত খনিজ থাকে নিপাহ
ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে হবে কৃষি তথ্য সার্ভিস এর মতে
বাংলাদেশের সাধারণত কার্তিক থেকে মাঘ মাস অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত
খেজুরের রস সংগ্রহ করা হয় সবচাইতে ভালো নিয়ম হলো ভোর বেলা টাটকা অবস্থায় পান
করা
কার্তিক থেকে মাঘ মাস অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মাছ পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ করা
হয় গ্রামাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে খেজুরের গাছ থাকায় গ্রামে প্রচুর রস সংগ্রহ
করে গুড় তৈরি করা হয় গ্রামে একদমই ন্যাচারাল রস পাওয়া যায় কিন্তু সতর্ক
থাকতে হবে যে নানা রকমের প্রাণী যেমন বাদুর নানা রকমের আরো প্রাণী যা রসে মুখ
দেয় এবং খেজুরের রস সংগ্রহ করার সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন কোন প্রাণী মুখ না
দিতে পারে সুন্দরভাবে ঢেকে রেখে খেজুরের রস সংগ্রহ করতে হবে সাধারণত বাদুড়ে
অতিরিক্ত রসের উপরে আকৃষ্ট হয়ে থাকে ও রস খেতে আসে আর বাদুড়ে নিপা ভাইরাসের
রয়েছে সবচাইতে বড় লক্ষণ।
ভূমিকাঃ খেজুরের রস খাওয়ার আগে কিছু সাবধানতা খুব সকালবেলা
সূর্যের তাপ বেড়ে যাওয়ার আগেই রস পান করা উচিত ,থাঙ্গাস বা ছত্রাক বাতাসে
ভেসে রসের সাথে মিশে যায় সূর্যের তাপে গরম হওয়ার রস কে ফার্মেন্টেশন করে ফেলে
।প্রথমে অ্যালকোহল বা মদ তৈরি হয় পরে আরো ফরমেট্রেশন কারণে ভিনেগার তৈরি হয়
,এ ধরনের রস পান করলে পেট খারাপ হওয়া সম্ভাবনা থাকে ।রসের হাড়ি অবশ্যই যেন
জাল বা কাপড় দিয়ে ঢাকা থাকে এই বিষয়ে খুব মনোযোগী হতে হবে। বাহাদুর হাড়ের
ভেতর মুখ ঢুকিয়ে রস খায়, এর থেকে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
তাই খেজুরের রস ফুটিয়ে খাওয়া বেশি নিরাপদ , এখন এ সময় গাছিরা খেজুর গাছ থেকে
খেজুর রস আহারনে ব্যস্ত তারা খেজুর রস থেকে গুড় বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে
অনেক খেজুর গুড় বানানোর পাশাপাশি খেজুরের রস বিক্রি করে কিন্তু এই খেজুরের রসে
একটি মারাত্মক অপকারিতা রয়েছে তা আমরা অনেকে অবগত নই গাছেরা বিকালে খেজুর গাছে
মাটির হাড়ি অবস্থান রাখে রাতে ওই খোলা খেজুর রস বাদুড় পান করে তখন রসের
সঙ্গে বাদুড়ের মুখ নিষ্কৃত লাল মিশে যায় আর এভাবে বাঁদরের মাধ্যমে মানুষের
শরীরে নিপা নামে ভাইরাস আক্রমণ করে নিপা ভাইরাস একটি মারাত্মক ভাইরা সেই ভাইরা
সে কি আক্রমণ হলে প্রথমে জ্বর আসে এই পর্যায়ে খিচুনি ও অথবা মৃত্যু হতে পারে
খেজুর রস পান করার জন্য হয়ে থাকে সেহেতু আমাদের খেজুরের সতর্ক হতে
হবে। কিছু কিছু খাদ্য আমাদের খুবই প্রিয় কিন্তু সেগুলো আমরা পরিবেশ মাফিক
খাব যাতে আমাদের কোন ক্ষতি না হয় আপনি সতর্ক হোন অন্যকে সতর্ক হতে সাহায্য
করুন।


.webp)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url